২০২১ সালে যে ১৫টি পেশার চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি

August 30, 2021 |
Views: 253

আমাদের দেশে অনেককেই দেখা যায় লেখাপড়া শেষ, কিন্তু চাকরি পাচ্ছেন না। এতো বছর পরিশ্রম করে অর্জিত জ্ঞান কোনো কাজেই ব্যবহার করতে পারছেন না। এই সমস্যার একটা কারণ যেমন ব্যবহারিক দক্ষতার অভাব, আরেকটি খুবই কমন কারণ হচ্ছে চাকরির বাজার প্রায়সই পরিবর্তনশীল। দশ বছর আগে যে স্কিল ও যে চাকরির চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল, আজ হয়তো সেই একই পেশার তেমন একটা চাহিদা নেই।

প্রফেশনাল জীবনে প্রবেশ করার আগে তাই কোন ধরনের চাকরিগুলোর চাহিদা বর্তমান জগতে বেশি এবং তার জন্য কী কী দক্ষতা থাকা দরকার তা জেনে নেওয়া খুবই জরুরী। যাতে নিজেকে প্রাসঙ্গিক দক্ষতা ও জ্ঞানের সাথে প্রস্তুত করা যায়।

তাহলে চলুন জেনে নেই এ বছর LinkedIn-এর Jobs on the Rise রিপোর্ট অনুযায়ী কোন ১৫টি পেশার চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি!

১৫। ইকমার্স কর্মী

অনলাইন শপিং-এর চাহিদা এমনিতেই দিন দিন বাড়ছিল। কোভিড-১৯ প্যানডেমিক সেই চাহিদাকে আরও কয়েক গুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এখন অনলাইন শপিং দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করার একটা বড় অংশকে প্রতিস্থাপন করেছে।

একজন ইকমার্স কর্মী হিসেবে আপনাকে অনেক ধরনের কাজ করতে হবে। একদিন কোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা, তো পরের দিন ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ। ওয়েবসাইটকে ব্যবহারের উপযোগী রাখা থেকে শুরু করে স্পিড ও কন্টেন্টের মতো বিভিন্ন জিনিস ট্র্যাক করা – সবই একজন ইকমার্স কর্মীর কাজের অংশ।

১৪। ক্যারিয়ার বিষয়ক অথবা ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক

গত কয়েক বছরে প্রফেশনাল এবং ব্যক্তিগত দুই ধরনের প্রশিক্ষকেরই চাহিদা বেড়েছে অনেক। আগ্রহ থাকলে আপনিও একজন লাইফ কোচ হিসেবে কাজ করতে পারেন, যেই পেশায় আপনি ক্লায়েন্টদের জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সাহায্য করবেন।

এছাড়াও প্রশিক্ষকদের মাঝে আছে বিভিন্ন ধরনের বিশেষজ্ঞতা। একজন ফিটনের কোচ তার ক্লায়েন্টদের সুস্বাস্থ্য অর্জন এবং সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করেন। একজন ক্যারিয়ার কোচের কাজ চাকরিপ্রার্থীদের উপযুক্ত চাকরি খুঁজতে ও পেতে সাহায্য করা। আর একজন বিজনেস কোচের কাজ ক্লায়েন্টের কোম্পানিকে ব্যবসা ক্ষেত্রে উন্নতি করতে সহযোগিতা করা।

১৩। ঋণবিষয়ক কর্মকর্তা

একজন ঋণবিষয়ক কর্মকর্তা বা লোন অফিসারের কাজ হচ্ছে ক্লায়েন্টকে তার জন্য উপযুক্ত লোনটি বেছে নেওয়া ও তার জন্য অ্যাপ্লাই করার ব্যাপারে সাহায্য করা। লোনটা হতে পারে ব্যবসায়িক, হোম লোন অথবা ব্যক্তিগত লোন। ঋণবিষয়ক কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট আর্থিক সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে সব কাগজপত্র ঠিকঠাক করে দেন।

বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে অনেকেই অতিরিক্ত ঋণের আবেদন করছেন। এ পরিস্থিতিতে একজন লোন অফিসার হিসেবে আপনি তাদের সাহায্য করতে পারেন নিজের বাসায় বসেই।

১২। ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর

প্যানডেমিকের কারণে যদি কেউ লাভবান হয়ে থাকে তা হচ্ছেসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। ক্লায়েন্টদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে কোম্পানিগুলোর উপস্থিতি। এবং প্ল্যাটফর্মেরও তো অভাব নেই – ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব, আবার নতুন যোগ হয়েছে টিকটক। এই পরিস্থিতিতে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের চাহিদা তো বাড়বেই।

ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হতে চাইলে আপনার মানুষকে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের প্রতি আকৃষ্ট করার ক্ষমতা থাকতে হবে। সৃজনশীলতা তো থাকতে হবেই, এর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এদের অ্যালগরিদম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং, এডিটিং এবং ভিডিও ধারণের ব্যাপারেও কিছু দক্ষতা থাকা জরুরী।

২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০-এ মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বেড়েছে ২৪ শতাংশ। কোভিড-১৯ প্যানডেমিক শুধু অর্থনীতি বা চিকিৎসাব্যবস্থার ওপরই খারাপ প্রভাব ফেলে নি, প্রায় সকলের মানসিক স্বাস্থ্যই এই মহামারীর ভুক্তভোগী। ফলস্বরূপ এই মানসিক স্বাস্থ্য সেবার চাহিদা বৃদ্ধি।

মানসিক স্বাস্থ্য বা সাইকোলজির ব্যাপারে যদি আপনার আগ্রহ থাকে তাহলে এই বিষয়ে পড়াশোনা করে কাউন্সেলর বা ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞানী পেশাগুলো বেছে নিতে পারেন। এই পেশায় আপনার দায়িত্ব হবে ক্লায়েন্টদের মানসিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত নানা সমস্যা সমাধানে তাদেরকে সাহায্য করা।

১০। শিক্ষকতা

প্যানডেমিকে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও এ বছর শিক্ষকতা পেশার চাহিদা একেবারেই কমে নি। কারণ এটি এমন একটি প্রফেশন যা সবসময়ই প্রয়োজন। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চতর শিক্ষার প্রতিটি ধাপে, প্রতিটি বিষয়ের জন্য প্রয়োজন একাধিক শিক্ষক।

অর্থাৎ শিক্ষক হিসেবে আপনার সামনে থাকছে অনেক অপশন। আপনার কোন বিষয়টা পছন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শেষে আরও কতো বছর আপনি পড়াশোনা করতে চান তার ওপর নির্ভর করে আপনি পছন্দের বিষয় ও লেভেল বেছে নিতে পারেন। বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষাদানের জন্যও গড়ে উঠেছে অনেক সুযোগ, তাই পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে টিউশন করেও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি ও বাড়তি উপার্জনের সুযোগ থাকছে এই প্রফেশনে।

৯। ব্যবসা উন্নয়ন ও সেলস প্রফেশনাল

২০১৯ এবং ২০২০-এর মাঝে কাস্টমার সেবা ও সেলস পরামর্শকদের চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। সবচেয়ে ভালো বিষয় হচ্ছে এই পেশায় ঢুকতে হলে খুব বেশি অভিজ্ঞতারও প্রয়োজন পড়ে না। যেটা জরুরী তা হচ্ছে সুন্দর আচার-ব্যবহার ও খুঁটিনাটি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখার দক্ষতা।

এছাড়া, অনেক কোম্পানিই ব্যবসা সঠিকভাবে চালানো ও লাভ ধরে রাখার জন্য ব্যবসা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করছে। এই প্রফেশনে নিয়মিত কাজের মধ্যে থাকবে সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করা, নতুন নতুন স্ট্র্যাটেজি তৈরি, মার্কেটিং টিমকে সাহায্য করা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া।

৮। ডিজিটাল মার্কেটিং প্রফেশনাল

২০২০ সালে যে কোনো ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ডিজিটাল মার্কেটিং। অনলাইন শপ বা কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান – প্রত্যেক ব্যবসারও একটি অনলাইন উপস্থিতি ও ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি থাকা এখন জরুরী। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞদেরও চাহিদা বেড়েছে অনেক।

একজন ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ হিসেবে আপনার দায়িত্ব হবে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা, ওয়েবসাইটের ট্র্যাফিক ও কনভার্শনের দিকে লক্ষ্য রাখা, ওয়েবসাইটটি এসইও-ফ্রেন্ডলি কিনা তা নিশ্চিত করা, ওয়েবসাইট গুগলেই সব নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আছে কিনা তা খেয়াল রাখা এবং পেইজগুলোকে পরিচিত কিওয়ার্ড ব্যবহার করে অপটিমাইজ করা। আপনার যদি ইতোমধ্যেই মিডিয়া বিষয়ে ধারণা থাকে, তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং প্রফেশনাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তেমন একটা বেগ পেতে হবে না।

৭। বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার

আজকাল যেহেতু সবারই একটা ওয়েবসাইট প্রয়োজন, ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদাও তাই অনেক বেড়ে গেছে। ওয়েবসাইট বা অ্যাপ তৈরি করার জন্য এখন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দরকার। তার মধ্যে আছে ওয়েব ডেভেলপার, ফুল-স্ট্যাক ইঞ্জিনিয়ার, ফ্রন্টএন্ড ডেভেলপার এবং গেইম ডেভেলপার।

এর মধ্যে কোন প্রফেশনটি আপনি বেছে নিচ্ছেন সেটা নির্ধারণ করবে আপনি কী কাজ করবেন। তা হতে পারে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা, ওয়েবসাইটের ফাংশনালিটি রক্ষণাবেক্ষণ করা, বিভিন্ন ফিচার বাস্তবায়ন করা এবং নানারকম নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংযোজন করা।

৬। স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা কর্মী

স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা কর্মী বলতে বোঝানো হয় ফার্মেসী টেকনিশিয়ান, স্বাস্থ্যসেবা সহকারী, হোম স্বাস্থ্যকর্মী এবং দাঁতের চিকিৎসায় সহায়তাকারীদের। প্যানডেমিকে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপের কারণে স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা কর্মীদের চাহিদা এ বছর বেড়েছে ৩৪%।

এই চাকরিগুলোর অংশ হিসেবে থাকছে বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণমূলক কাজ যেমন চিকিৎসাপ্রার্থীদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিটে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা, পরামর্শ ও যেকোনো চিকিৎসাসংক্রান্ত সেবা প্রদান করা এবং ওষুধপত্রের সাপ্লাই তদারকি করা। যে কোনো রোগীর সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা কর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রফেশনে কাজ করতে চাইলে আপনার থাকতে হবে অনেক ধৈর্য্য এবং মনোযোগের থাকে কাজ করার দক্ষতা।

৫। নার্স

প্রফেশন হিসেবে নার্সিং-এর চাহিদা বেশ অনেকদিন ধরেই বাড়ছিল। কোভিড-১৯ প্যানডেমিক তাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যে কোনো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সাফল্যের মূলে থাকেন নার্সরা। তারা একদিকে যেমন বিভিন্ন রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের সেবা করেন, অন্যদিকে আবার চিকিৎসকদেরকে নানা রকম কাজে সাহায্যও করেন।

অস্ত্রপচারের পর প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা প্রদান, সময়মতো ওষুধ দেওয়া, রোগের লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখা এবং যে কোনো জরুরী প্রয়োজনে চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করা – এ সবকিছুই একজন নার্স নিয়মিত করে থাকেন। এই পেশায় কাজ করতে চাইলে মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়া আবশ্যক।

৪। কর্মস্থলে বৈচিত্র বিশেষজ্ঞ

গত কয়েক বছর যাবত কর্মস্থলে বৈচিত্র বজায় রাখাকে অনেক কর্মসংস্থান বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে আপনার কাজ হবে কোম্পানির নীতিমালা ও প্রথা বিশ্লেষণ করে সেখানে বৈষম্য দূর করতে সাহায্য করা এবং সব চাকরিজীবীরা সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা।

কোম্পানির সবাইকে অথবা কোনো টিমকে বৈচিত্র বজায় রাখার বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়াও হবে আপনার কাজের অংশ। এর পাশাপাশি আপনি নতুন নীতি ও ধারণাও প্রস্তাব করবেন যাতে কোম্পানিটি তাদের কর্মক্ষেত্রে সব বর্ণ-ধর্ম-জাতি ও লিঙ্গের ব্যক্তিকে ন্যায্য সুযোগ দিতে পারে।

৩। ইউএক্স ডিজাইনার

ইউজার এক্সপিরিয়েন্স বা UX ডিজাইনারের প্রধান কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ইতিবাচক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগুলো ডিজাইন করা। তারা প্রথমে ব্যবহারকারীর এই ওয়েবসাইট ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে রিসার্চ করেন এবং তার পর সেই অনুযায়ী সাইট ডিজাইন করেন। ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাওয়ার পর ডিজাইনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও তাদের কাজ।

২। তথ্য বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ

তথ্য আর বিজ্ঞানই আধুনিক যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। তথ্যও উপাত্ত বিশ্লেষণকারীদের চাহিদাও তাই দিন দিন বাড়ছে।

একজন তথ্য বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের কাজ হচ্ছে তথ্য বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে কোনো কোম্পানিকে প্রাসঙ্গিক সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করা। তারা অবকাঠামো যাচাই করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা ডিজাইন করেন, মেশিন লার্নিং-এর সাহায্যে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক বিশ্লেষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেন।

১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতি মানবজাতি বেশ কয়েক বছর ধরেই দেখছে। ২০২১ সালে তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে আরও বেশি। Artificial Intelligence বা AI বিশেষজ্ঞদের কাজ হচ্ছে কগনিটিভ সিমুলেশন ব্যবহার করে কম্পিউটারকে মানুষের মতো কাজ করার জন্য প্রোগ্রাম করা। এই উচ্চতর পর্যায়ের বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে হলে দরকার প্রচুর প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটা এন্ট্রি পর্যায়ের চাকরি পেতেও আপনার বেশ কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে, যেমন প্রোগ্রামিং-এর অভিজ্ঞতা এবং তথ্য বিজ্ঞান, গণিত অথবা কম্পিউটার সায়েন্সে ন্যূনতম ব্যাচেলর ডিগ্রি।

এই তালিকা থেকে একটা জিনিস বেশ পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, তা হলো ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রের বেশিরভাগ জুড়েই থাকবে প্রযুক্তির ব্যবহার ও নতুন প্রযুক্তি গড়ে তোলা। তাই এ বছরের এই জনপ্রিয় পেশাগুলো অদূর ভবিষ্যতে চাহিদা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা খুবই কম।