আপনার কি পিএইচডি করা উচিত ?

March 18, 2021 |
Views: 538

যারা অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে কাজ করতে চান, নতুন কিছু শিখতে ভালোবাসেন, পড়াশোনা ও গবেষণা নিয়ে জীবন পাড় করতে চান, তাঁদের কাছে হয়তো পিএইচডি করাটা খুব সহজাত একটা সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত অনেক বিষয় আছে যা নিয়ে সবারই চিন্তা করা উচিত। আর্থিক পরিস্থিতি, চাকরির সুযোগ এবং জীবনযাপনের মাত্রার ওপর এই উচ্চতর শিক্ষার গুরুতর প্রভাব পড়া সম্ভব।

পিএইচডি-এর পেছনে সময় ও শ্রম ব্যয় করা আপনার জন্য কতোটা উচিত সে সিদ্ধান্তে সাহায্য করতে এই আর্টিকেলে থাকছে ডক্টরেট করার কিছু ভালো ও মন্দ দিক।

পিএইচডি করার সুবিধা

পাঁচ-ছয় বছর একটি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করার পর আবার ডক্টরেট করা অনেকটা বাড়তি ঝামেলা বলে মনে হতে পারে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চলুন তাই নিজ ফিল্ডে উচ্চতম এই ডিগ্রি অর্জনের ভালো দিকগুলো জেনে নেই।

১। পছন্দের বিষয়ে নিজস্ব অবদান রাখতে পারবেন

পিএইচডি আপনাকে নিজের পছন্দের বিষয়টি নিয়ে আরও গভীর ও বিস্তারিতভাবে পড়াশোনা করার সুযোগ করে দেবে। এর আগের ডিগ্রিগুলো থেকে এটার মূল পার্থক্য হলো আপনি এমন কোনো রিসার্চ করতে পারবেন যা আগে কখনো করা হয় নি। নতুন তথ্য সংগ্রহ করবেন, নতুন সমাধান দাঁড় করাবেন এবং পছন্দের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।

নতুন জ্ঞান ও তথ্যের এই সন্ধানই অনেকের কাছে ডক্টরেট ডিগ্রির পেছনে দেওয়া অক্লান্ত পরিশ্রম ও সময়কে যথার্থ করে তোলে।

২। মর্যাদাপূর্ণ চাকরির সুযোগ পাবেন

পিএইচডি-এর একটা বড় লাভ হচ্ছে এই ডিগ্রি শেষ করলে আপনি ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাকরির সুযোগ পাবেন অনেক বেশি। যার মধ্যে থাকতে পারে সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে লিডারশীপ পর্যায়ের চাকরি অথবা ইংরেজি সাহিত্য ও আর্টসের কোনো বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকতা। যদি আপনার কাঙ্ক্ষিত পজিশনের জন্য আলাদা করে পিএইচডি দরকার নাও হয়, এই ডিগ্রি নিঃসন্দেহে আপনাকে অন্য প্রার্থীদের থেকে এগিয়ে রাখবে।

ভালো পজিশনে চাকরি মানে হচ্ছে ভালো বেতন। তাই পিএইচডি করার ফলস্বরূপ আপনার উপার্জন বাড়াটাও একটা অন্যতম লাভ। তবে আপনার উপার্জন আসলেও কতোটা বাড়বে তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার ইন্ডাস্ট্রির ওপর। চিকিৎসক ও আইনজীবীদের জন্য উচ্চতর শিক্ষা বেশ লাভজনক। এছাড়া আরও অনেক বিষয়েই ডক্টরেট ডিগ্রিধারীরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বা রিসার্চার পোস্টে অনেক ভালো বেতনে চাকরি পেয়ে থাকেন। পিএইচডি-এর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাই নিজের ইন্ডাস্ট্রিতে উচ্চতর পর্যায়ের চাকরিজীবীদের উপার্জন সম্পর্কে রিসার্চ করে নেওয়া ভালো।

৩। লেখালেখির দক্ষতা চাকরি ক্ষেত্রে সুবিধা দেবে

আমেরিকার National Commission on Writing-এর চালানো একটি গবেষণায় জানা গেছে যে ব্লু-চিপ ব্যবসা সংস্থাগুলো তাদের বর্তমান চাকরিজীবীদের লেখালেখি সংক্রান্ত কোর্স করানোর পেছনে বছরে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করে। এমনকি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী চাকরিজীবীদেরও প্রায়ই এরকম কোর্সের প্রয়োজন হয়।

একজন চাকরিদাতা যখন আপনার সিভিতে পিএইচডি ডিগ্রির উপস্থিতি দেখবেন, তিনি সহজেই বুঝে যাবেন যে আপনি বছরের পর বছর রিসার্চ করে, তথ্য সংগ্রহ করে তা থেকে পাওয়া সমাধান রিপোর্ট করার মাধ্যমে লেখালেখিতে অনেকটা পারদর্শী হয়ে উঠেছেন। তাই চাকরির ক্ষেত্রে আপনার প্রাধান্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অনেক বেশি।

৪। অন্যান্য দক্ষতাও বাড়বে

অ্যাকাডেমিক শিক্ষা আমাদেরকে শুধু পড়াশোনার বিষয়েই জ্ঞান দেয় না। শিক্ষাব্যবস্থার সাথে জড়িত কাজগুলো সম্পন্ন করতে আমাদেরকে সঠিকভাবে সময় ম্যানেজ করা, মনোযোগের সাথে কাজ করা এবং সমস্যা সমাধান করাও শিখতে হয়।

চাকরিদাতারা প্রার্থীদের মধ্যে সবসময়ই এ ধরনের স্কিল খোঁজেন এবং পিএইচডি-এর প্রক্রিয়া আপনার মধ্যে এ স্কিলগুলোর বিকাশ ঘটাবে। গবেষণা এবং থিসিসের দিকে মনোযোগ দেওয়ার ফলে আপনার সমস্যা সমাধান, সঙ্কট মোকাবেলা, ধৈর্য্য এবং মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অনেকাংশে বাড়বে। আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রিতেই কাজ করেন না কেন, এই স্কিলগুলো একদিকে যেমন আপনাকে চাকরি পেতে সাহায্য করবে অন্যদিকে সেই চাকরিতে দ্রুত এগিয়ে যেতেও সহায়ক হবে।

৫। প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক প্রসারিত হবে

পিএইচডি করার ভালোমন্দ যাচাই করার সময় আরেকটা জিনিস মাথায় রাখা খুব জরুরি। এই অভিজ্ঞতা থেকে আপনার অনেক নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হবে, প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক প্রসারিত হবে। প্রফেসর, ডিপার্টমেন্টের হেড, অন্যান্য রিসার্চার এবং নিজ বিষয়ের দক্ষ অ্যাকাডেমিকদের সাথে পরিচয় থাকা পরবর্তীতে ক্যারিয়ার এগিয়ে নিয়ে যেতে বা গবেষণায় সহযোগিতার ক্ষেত্রে অনেক কাজে আসবে।

৬। পছন্দসই চাকরির জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ পাবেন

আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শেষ করার পরপর আপনার সামনে খুব ভালো কোনো চাকরির সুযোগ নাও থাকতে পারে। তাই এই সময়টা পিএইচডি-এর পেছনে ব্যয় করে একইসাথে গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে উপার্জন করা ও পড়াশোনা করা একটি ভালো অপশন। বিশেষ করে যেহেতু এই পিএইচডি আপনার সিভিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

পড়াশোনার পাশাপাশি পিএইচডির সময় গড়ে ওঠা প্রফেশনাল নেটওয়ার্কও আপনাকে আরও ভালো চাকরির সুযোগ এনে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পিএইচডি করার অসুবিধা

এতো কিছুর পরও হয়তো আপনার মনে সেই প্রশ্ন রয়েই গেছে, পিএইচডি-এর জন্য এতো সময় ও পরিশ্রম ব্যয় করা কতোটা যথার্থ? পড়াশোনা করা যদিও সবসময়ই ভালো, পিএইচডি করার কিছু অসুবিধাও আছে।

১। অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হতে পারে

বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর জন্যই এটি একটি বড় সমস্যা। উচ্চতর শিক্ষার খরচ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির চেয়ে অনেক বেশি এবং অনেকের জন্যই চাকরি না করে পড়াশোনার পেছনে এতো খরচ দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। বিশেষ করে এর জন্য যদি আপনাকে ঋণ নিতে হয়, তাহলে পরবর্তীতে চাকরি জীবনে প্রবেশ করার পর আপনাকে অনেক বড় বোঝা টানতে হতে পারে।

খরচের বোঝা একটু কমানোর জন্য আপনি গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ খুঁজতে পারেন। স্কলারশিপ বা টিউশন অ্যাসিস্ট্যান্স দেওয়া হয় এরকম কোনো প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারলেও পড়াশোনার খরচ কমে আসবে। আর আপনি যদি ইতোমধ্যে চাকরি শুরু করে থাকেন, তাহলে চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম পিএইচডি করা আপনার জন্য তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

২। আপনি নিঃসঙ্গ অনুভব করতে পারেন

প্রফেসর বা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ থাকলেও রিসার্চের কাজ সব আপনাকে একাই করতে হবে। আপনার রিসার্চের বিষয় হবে অদ্বিতীয় এবং আপনাকে একা একা প্রচুর রিসার্চ ও লেখালেখি করতে হবে। সময়ের অভাবে আপনার সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে কাজ ও সামাজিক জীবনের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। তাই পিএইচডি-এর কাজ একটু পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মাঝে মাঝে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সাথে সময় কাটান। এতে ডক্টরেটের কঠিন সময়গুলোতে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখা সহজ হবে।

৩। প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করতে হবে

পিএইচডি-এর কথা শুনে অনেকে মনে করেন এটা খুবই উত্তেজনামূলক ও আনন্দদায়ক কাজ। চাকরিজীবনে প্রবেশ না করে ছাত্রজীবনকে আরও দীর্ঘায়িত করতে কার না ভালো লাগে? এই ধারণাটা পুরোপুরি ভুল না হলেও অনেকটা অসম্পূর্ণ। ডক্টরেটের এই যাত্রা একদিকে যেমন আনন্দময় হতে পারে, অন্যদিকে হতাশাপূর্ণও হতে পারে।

রিসার্চের শুরুতে যেই বিষয়টাকে খুব কৌতুহলোদ্দীপক মনে হয়েছিল, বছরখানেক পর তা আর ততটা ভালো নাও লাগতে পারে। ফলাফল হতে পারে কাজে অনাগ্রহ, এমনকি থিসিসের বিষয় পরিবর্তন করতে বাধ্য হওয়া। অপরদিকে, সব পিএইচডি প্রোগ্রাম যে পার্ফেক্ট তাও ঠিক না। আপনাকে এমন একজন সুপারভাইজারের সাথে কাজ করতে হতে পারে যিনি অনেক বেশি খুঁতখুঁতে, অথবা হয়তো দরকারের সময় তাঁকে পাওয়াই যায় না।

এসব সমস্যার কারণে পিএইচডিতে ড্রপ আউটের সংখ্যা অনেক বেশি। শুধুমাত্র আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই, মাত্র ৫৭% শিক্ষার্থী পিএইচডি শুরু করার ১০ বছরের মধ্যে ডিগ্রি শেষ করেন। এই অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যে আপনিও যদি একজন হতে চান, তাহলে পিএইচডি শুরু করার আগেই নিজের থিসিসের বিষয় ও সুপারভাইজার নিয়ে বিস্তারিত রিসার্চ করুন, বর্তমান প্রফেসর ও সিনিয়রদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এই ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৪। যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির পরিমাণ কমে যেতে পারে

যদিও পিএইচডি আপনাকে মর্যাদাসম্পন্ন ও উচ্চ বেতনের চাকরি করার সুযোগ দেবে, সম্ভাবনা আছে যে আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে এই পর্যায়ের চাকরির সংখ্যা তেমন বেশি না। যার অর্থ হলো কম সংখ্যক পজিশনের জন্য অনেক বেশি সংখ্যক প্রার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরির ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, যেখানে প্রফেসর ও রিসার্চার পদে চাকরির সংখ্যার চেয়ে উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি।

আপনার থিসিসের বিষয়টি যদি খুব বিশেষায়িত কিছু হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রেও আপনার অপশন কমে আসতে পারে। যোগ্যতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরিগুলোতে পদ খালি না পেলে, পিএইচডি-এর পেছনে দেওয়া পরিশ্রমকে বৃথা মনে হবে। তাই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আপনি কোন বিষয় নিয়ে থিসিস করতে চান তা ঠিক করে সেই বিষয়ের চাকরির সহজলভ্যতা নিয়ে রিসার্চ করে নিন।

৫। আর্থিক দিক দিয়ে তেমন লাভ নাও হতে পারে

যদিও বেশিরভাগ গবেষণায় দেখা গেছে যে পিএইচডি করার ফলে চাকরিজীবনে উপার্জনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ভালো চাকরি যে আপনি পাবেনই বা আপনার আয়ের ক্ষমতা যে অনেক গুণ বেড়ে যাবে তার এখানে কোনো গ্যারান্টি নেই। Organisation for Economic Co-operation and Development (OECD)-এর একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে, জার্মানির ৪৫% গ্র্যাজুয়েট ডক্টরেট করার ৫ বছর পরেও সাময়িক চুক্তিতে কাজ করছেন এবং আরও ১৩% নিম্নতর পর্যায়ে চাকরি করতে বাধ্য হয়েছেন।

অপরদিকে আমেরিকায় ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী চাকরিজীবীদের গড় আয়ের পার্থক্য মাত্র ৭%। এই সামান্য উন্নতি পিএইচডি-এর পেছনে হওয়া খরচের সাথে তুলনা করে আপনি পিএইচডি না করাকেই লাভজনক হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

৬। মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হারাতে পারেন

চাকরিজীবনে সফল হতে পড়াশোনা ছাড়াও আরও অনেক স্কিলের প্রয়োজন হয়। নিত্য নতুন প্রযুক্তির আগমনে সংস্থাগুলোর কাজের পদ্ধতিতেও নিয়ত পরিবর্তন আসছে। এতোদিন পড়াশোনা শেষে আবার দীর্ঘদিনের জন্য রিসার্চে মনোযোগ দিতে গেলে এসব মূল্যবান স্কিল অর্জনের ক্ষেত্রে আরও পিছিয়ে যেতে পারেন।

পিএইচডি শুরু করার আগে আপনার পছন্দের ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। অনেক বৈজ্ঞানিক, অর্থনৈতিক এবং কম্পিউটার নির্ভর ইন্ডাস্ট্রিতে সাফল্যের পেছনে জ্ঞানের চেয়ে অভিজ্ঞতার ভূমিকা অনেক বেশি।

পিএইচডি এমন একটি ডিগ্রি যার জন্য প্রচুর অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের দরকার হয়। তাই এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার আগে সব সুবিধা-অসুবিধা যাচাই করে নেওয়া উচিত। নিজের পছন্দের বিষয় সম্পর্কে যত্নের সাথে রিসার্চ করুন এবং সম্ভাব্য চাকরির সুযোগ সম্পর্কে ঠিকভাবে জেনে তারপরেই সিদ্ধান্ত নিন।