৮ টি ধাপে শুরু করুন নিজের মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি

December 4, 2020 |
Views: 687

তথ্য বিশ্লেষণ ও ইন্টারনেট অর্থনীতির এই যুগে মার্কেট রিসার্চের গুরুত্ব এখন আকাশচুম্বী। শ্রোতা ও ক্রেতা সম্পর্কে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র তথ্য যখন হাতের নাগালে, বেশিরভাগ ব্যবসাই তখন খুঁজছে প্রচারণার নতুন ও ভিন্ন উপায়।

তথ্যই হয়ে উঠেছে এই যুগের ক্রুড অয়েল (crude oil) এবং একটি মার্কেট রিসার্চ কোম্পানির দায়িত্ব এই সম্পদকে ব্যবহারোপযোগী করে তোলা। ১৯ শতকের অয়েল ড্রিলাররা যেভাবে মানবজাতির জীবনযাত্রার মান চিরতরে পাল্টে দিয়েছেন, প্রযুক্তি, কৌশল ও মার্কেটিং এর অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে একজন উদ্যোক্তাও আমাদের জীবন ও অর্থনীতিতে একই রকম প্রভাব ফেলতে পারেন আজ।

আর সেই উদ্যোক্তা হতে পারেন আপনি। আপনার নিজের মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি শুরু করে বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যবসা সংস্থাকে সাহায্য করতে পারেন তাঁদের টার্গেট অডিয়েন্স বা মার্কেট কে জানতে, বুঝতে এবং সেই অনুযায়ী তাঁদের সংস্থাকে সঠিক দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

চলুন জেনে নেই কীভাবে মাত্র ৮টি ধাপে শুরু করতে এবং সফলভাবে চালাতে পারবেন নিজের মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি।

১. ব্যবসার পরিকল্পনা করুন

কোনো কাজ শুরু করার আগে প্রথম ধাপ হচ্ছে আপনার মার্কেট রিসার্চ কোম্পানির ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি। যে কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রেই একটি পরিকল্পনা থাকা জরুরি যা নির্ধারণ করবে পাঁচ বছর পরেও আপনার কোম্পানি চলবে কিনা।

পরিকল্পনার প্রথম ধাপে নিজের টার্গেট মার্কেট নির্ধারণ করুন। পরামর্শ সংস্থা, বিজ্ঞাপনদাতা সংস্থা নাকি গবেষণা বিভাগ – কাদের সাথে কাজ করতে চান আপনি? শুধু B2B মার্কেট রিসার্চ নাকি পাশাপাশি জননীতি জরিপও করবেন? খুচরা বিক্রেতা নাকি অর্থনৈতিক সংস্থা – কাকে প্রদান করবেন কোম্পানির সেবা?

এরপর চলে আসুন দাম নির্ধারণে। সব ক্রেতার জন্য একই দাম, নাকি প্রতিটি ক্রেতার প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে দাম নির্ধারণ করবেন? আগে থেকে রিসার্চ করে রাখা তথ্য ও সার্ভের ফলাফল প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিক্রি করবেন, নাকি ক্রেতার প্রয়োজন জেনে কাস্টমাইজড সার্ভে ও রিসার্চ করবেন?

তৃতীয়ত, কোম্পানির নাম কী হবে? অনলাইনের যুগ তাই কোম্পানির ওয়েব ডোমেইনও হওয়া চাই নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই শুধু সৃজনশীলতা নয়, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কথা মাথায় রেখে কোম্পানির জন্য একটি উপযুক্ত নাম বেছে নিন এই পর্যায়ে।

সব শেষে নিজের কোম্পানির অবস্থান এবং পরিবেশ সম্পর্কে চিন্তা করুন। আপনি ও আপনার টিম কি অফিসে গিয়ে কাজ করবেন নাকি বাসা থেকে?

২. অনলাইন উপস্থিতি গড়ে তুলুন

অফলাইন ও আউট-অফ-হোম প্রচারণা অনেক ক্ষেত্রেই ফলদায়ক হলেও একটি মার্কেট রিসার্চ কোম্পানির পরিচিতির বড় অংশ আসে অনলাইন প্রচারণা থেকে। কোম্পানির ওয়েবসাইট ও অনলাইনে দেওয়া বিজ্ঞাপনই আপনাকে সবচেয়ে বেশি ক্রেতা এনে দেবে।

তাই কোম্পানির জন্য একটি ডিজিটাল মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করুন। আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা বেছে নিতে নিচের টিপসগুলো সাহায্য করবে।

পেইড বিজ্ঞাপনঃ অনলাইন অ্যাড ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আপনার টার্গেট মার্কেটের কাছে নিজের কোম্পানিকে উপস্থাপন করতে পারেন। অথবা গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে কোম্পানি সম্পর্কিত সার্চে প্রথম দিকে থাকার জন্য পে করতে পারেন।

কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ অনলাইন মার্কেটিং এর একটি বড় ও প্রভাবশালী অংশ হচ্ছে কন্টেন্ট। কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মাধ্যমে কোম্পানি শুধু পরিচিতিই পাবে না, কোম্পানির গুণাবলী ও ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার কোম্পানির কর্তৃত্ত্বও প্রকাশিত হবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO): কন্টেন্ট মার্কেটিং এর হাত ধরেই আসে SEO এবং এটি শুধু গুগলে কন্টেন্টের স্থানের ওপর নির্ভর করে না। অন্যান্য ওয়েবসাইট ও উপযুক্ত ব্যবসার সাথে সহযোগের মাধ্যমে নিজের কন্টেন্টে তাদের এবং তাদের কন্টেন্টে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করা, ওয়েবসাইটের গতি বাড়ানো ইত্যাদিও এখন SEO এর অংশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমঃ কোম্পানি চালাতে হলে ফেসবুক ও টুইটারের মতো যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অ্যাক্টিভ হতেই হবে। আহামরি কিছু না করে শুধু কন্টেন্ট শেয়ার ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে কার্যকর ইম্প্রেশন অর্জন করা সম্ভব।

কি পারফরমেন্স ইনডিকেটর (KPI): অনলাইন মার্কেটিং কতোটা ফলপ্রসূ হচ্ছে তা বোঝার জন্য KPI খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রির যথাযথ KPI অন্যদের থেকে আলাদা। সেলসের জন্য তা হতে পারে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কতগুলো নতুন কন্ট্র্যাক্ট সাইন হয়েছে অথবা সেলস ফানেল থেকে কতজন সম্ভাব্য ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক KPI এর ক্ষেত্রে, ক্যাশ ফ্লো অথবা সর্বমোট লাভের পরিমাণ হতে পারে সাফল্যের সূচক।

উপরে উল্লেখ করা অনেকগুলো ক্ষেত্রেই হয়তো প্রারম্ভিকভাবে অর্থ ব্যয় করা প্রয়োজন। কিন্তু প্রচারণার পেছনে খরচ করলে আপনার কোম্পানির লাভ বই ক্ষতি হবে না।

৩. নিজস্ব ব্র্যান্ডকে সংজ্ঞায়িত করুন

মার্কেট রিসার্চ কোনো প্রতিযোগিতাহীন ইন্ডাস্ট্রি না। তাই এখানে উন্নতি করতে হলে আপনার নিজের কোম্পানিকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। কোন বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার কোম্পানিকে অন্য সব মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি থেকে আলাদা করছে? কেন ক্রেতা এত সব কোম্পানির ভিড়ে আপনাকে বেছে নেবেন?

কিছু কোম্পানি সব ধরনের মার্কেট রিসার্চ পরিচালনা করে, আবার কেউ বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে স্পেশালাইজড রিসার্চের সুবিধা দেয়। প্রথম দিকে নিজের বিশেষত্বের দিকে দৃষ্টি দেওয়াটাই সুবিধাজনক।

কিন্তু কোন বিষয়ে স্পেশালাইজড রিসার্চ শুরু করবেন ভাবছেন? জেনে নিন কিছু সম্ভাব্য বিশেষত্ব।

গ্রাহক সন্তুষ্টি সার্ভে পরিচালনা করা।
বিভিন্ন ব্যবসার জন্য গোপনে কেনাকাটা (mystery shopping) করা।
বড় গ্রাহক গ্রুপকে সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ছোট ছোট গ্রুপে বিভক্ত করে মার্কেট বিভাজন রিসার্চ সম্পন্ন করা।
পণ্য ও সেবার প্রতি গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া যাচাই করা।
ব্র্যান্ড সম্পর্কে গ্রাহকদের মতামত যাচাই করতে ব্র্যান্ডের ন্যায্যতা (brand equity) রিসার্চ করা।

তাহলে আপনি কীভাবে নিজের ব্র্যান্ডকে সংজ্ঞায়িত করছেন?

৪. প্রারম্ভিক ব্যয়ের জন্য প্রস্তুতি নিন

সব ধরনের কোম্পানি শুরু করতেই কিছু প্রারম্ভিক ব্যয়ের সম্মুখীন হতে হয়। কোম্পানি শুরু করার আগেই তাই নিচে বর্ণনা করা খরচগুলো সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ প্রস্তুতি নিন।

অফিস ভাড়াঃ আপনার টিমের সদস্যরা যদি বাসা থেকেও কাজ করেন, তবুও কোম্পানির মিটিং ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার্থে নিজেদের একটি অফিস থাকা জরুরি। অফিসের ভাড়া আপনার এলাকা ও প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, তবে চেষ্টা করুন যোগাযোগ মাধ্যম ভালো ও সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এরকম জায়গায় অফিস ভাড়া করতে।

এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যারঃ সফটওয়্যারের ব্যবহার শুধু কোম্পানি পরিচালনার কাজকে সহজই করবে না, বর্তমান যুগে কোম্পানির দৈনন্দিন অনেক কাজের জন্যই একটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা আবশ্যক। বরং, প্রবীণ ও অভিজ্ঞ মার্কেট রিসার্চাররা কোম্পানি গড়ে ওঠার পর নিজেদের জন্য কাস্টমাইজড সফটওয়্যার তৈরি করারও পরামর্শ দেন।

প্রযুক্তিঃ কম্পিউটার, টেলিফোন, মোবাইল ও আরও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় গ্যাজেট – যা আপনার টিমের রিসার্চের কাজের জন্য জরুরি।

ইন্স্যুরেন্সঃ কোম্পানি শুরু করার আগেই উপযুক্ত ইন্স্যুরেন্স পলিসিটি খুঁজে বের করতে হবে। কারণ সঠিক ইন্স্যুরেন্স পলিসিতে যোগদানের মাধ্যমে আপনি মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে কোম্পানি চালাতে সক্ষম হবেন।

বিভিন্ন ফিঃ ট্যাক্স এটর্নি বা আইনজীবী থেকে শুরু করে সাপ্লাইয়ার ও বিক্রেতা পর্যন্ত নানা রকম ফি দিতে হবে শুরু থেকেই, যার জন্য কোম্পানির বাজেটে জায়গা রাখা দরকার।

এছাড়াও চলতি খরচ তো থাকছেই। ওয়েবসাইট হোস্টিং, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিল, বেতন ও বোনাস – এ সব খরচও দিতে হবে কোম্পানির পকেট থেকে। তাই কোম্পানি চালু করার আগেই সব ধরনের খরচের জন্য যতটা সম্ভব পরিকল্পনা করুন এবং প্রস্তুত থাকুন।

৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করুন

এই তালিকার সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ ও বিরক্তিকর ধাপ হয়তো এটা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর মধ্যে এটিও একটি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে থাকছে বিভিন্ন আইনী দলিল ও সরকারি দস্তাবেজ। পাতার পর পাতা সরকারি নথিপত্র পড়তে গিয়ে মাথা ধরে গেলেও কোম্পানি ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনোযোগের সাথে কাগজপত্র বিশ্লেষণ ও তৈরি করতে হবে।

আপনার ব্যবসার কাঠামো অনুযায়ী দরখাস্ত তৈরি করুন ও জমা দিন। ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পারমিট ও লাইসেন্স সংগ্রহ করুন। আইন বিশেষজ্ঞরা সাধারণত মার্কেট রিসার্চ কোম্পানির জন্য অবহিত সম্মতি চুক্তি ও পরিষেবা চুক্তি তৈরির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে আপনার আইনজীবীর পরামর্শ ও এলাকার কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী যথাযথ কাগজপত্র তৈরি করে তবেই কাজ শুরু করুন।

৬. কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন

ব্যবসার বাজেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হচ্ছে আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা। যে কোনো পেমেন্ট করতে অথবা কোনো বিজনেস লোন থেকে ফান্ডিং নিতে – মোট কথা ব্যবসা সংক্রান্ত শতভাগ আয়ব্যয় এই অ্যাকাউন্ট থেকে পরিচালনা করুন।

বাজেট নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও আলাদা বিজনেস অ্যাকাউন্ট খোলার আরেকটা সুবিধা হচ্ছে বাণিজ্যিক ক্রেডিট কার্ড সুবিধা। প্রায় সব অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানই নিজেদের গ্রাহকদেরকে এই সেবা দিয়ে থাকে। যার সাথে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি অনেক সময় থাকে নানা রকম ডিসকাউন্ট ও অফার। তাই আপনার পছন্দের ব্যাংক বা অর্থনৈতিক সংস্থা থেকে বাণিজ্যিক ক্রেডিট কার্ড সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।

৭. বিশেষজ্ঞদের চাকরিতে নিযুক্ত করুন

মার্কেট রিসার্চ খুবই প্রতিযোগিতামূলক একটি ইন্ডাস্ট্রি যেখানে নিজের স্থান ধরে রাখতে হলে বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া আবশ্যক। তাই নতুনদের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্তত একজন বিশেষজ্ঞকে নিযুক্ত করার চেষ্টা করুন যিনি সেই ক্ষেত্রে আপনার কোম্পানিকে এগিয়ে নিতে এবং নতুন কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন। বিশেষ করে কোম্পানি শুরুর দিকের সময়টাতে অভিজ্ঞ ও নামী বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়ে খুব দ্রুত কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।

৮. ক্লায়েন্ট খুঁজতে শুরু করুন

ওয়েবসাইট, টিম, প্রযুক্তি – সবই তো হলো। এবার বাকি থাকল শুধু গ্রাহক। বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য প্রচারণা থেকে পরিচিতি বৃদ্ধি পেতে অনেক ক্ষেত্রে বেশ সময় লেগে যায়। তাই অন্তত কোম্পানি শুরুর প্রথম দিকে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি আপনারও কিছু বাড়তি পরিশ্রম করতে হবে।

বিভিন্ন কোম্পানির সাথে ফোনে যোগাযোগ করা, নিজের পরিচিতজনদের কাছে কোম্পানি নিয়ে কথা বলা, ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা এবং মার্কেট রিসার্চে সাহায্য প্রয়োজন এ ধরনের সংস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা – এ সবকিছুই হতে হবে আপনার ও আপনার সেলস টিমের দৈনন্দিন কাজের অংশ।

নিঃসন্দেহে এই ধাপটি বেশ কঠিন এবং অনেক সময়ই আপনি নিরুৎসাহিত হয়ে পড়তে পারেন। কিন্তু যে কোনো ব্যবসা বা সংস্থাকে একটা ভালো পর্যায়ে নিয়ে যেতে এই কাজগুলো পরিশ্রম ও ধৈর্য্যের সাথে করার কোনো বিকল্প নেই।

রিসার্চ এন্ড মার্কেটস-এর ২০২০ সালের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে মার্কেট রিসার্চ সেক্টর শুধু আগের জায়গায় ফিরেই আসবে না, এর বার্ষিক যৌগিক বৃদ্ধি হার হবে ৪%। আপনার নতুন সংস্থাটিও এই বৃদ্ধি হার থেকে লাভবান হতে পারে। কিন্তু তার জন্য চাই সঠিক বাণিজ্যিক মডেল, অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সহায়তা এবং মার্কেট রিসার্চের অনন্য কার্যপদ্ধতি।